ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের থানা থ্রিলার: লীগ নেতা নাসির রাতে উধাও, সকালে হাজির পুলিশের মাইক্রোবাসে!

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 1213

ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ নেতা নাসিরউদ্দিনকে আটক করে থানা নিয়ে গেলে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে গোপালগঞ্জ থেকে আবার তাকে আটক করে থানায় আনা হয়। পরিবার বলছে আত্মসমর্পণ করলেও পুলিশ তা অস্বীকার করছে।

আটকের পর থানায় পালানো, শেষমেশ গ্রেফতারই নাসিরউদ্দিন

ফরিদপুরের পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসিরউদ্দিন (৫১) কে আটক করে থানায় নেওয়ার পর তিনি সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যান। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তার।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ৮টার দিকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে করে আবার থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তিনি গোপালগঞ্জে পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং সেখান থেকেই তাকে ধরে আনা হয়েছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, নাসিরউদ্দিন স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন।

আটক এবং পালানোর ঘটনা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাসিরউদ্দিন একজন ব্যবসায়ী। তার দোকান রয়েছে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাকাইল সড়কে। সোমবার (১২ মে) দুপুরে পুলিশ সেখান থেকেই তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু পরে তিনি কৌশলে থানা থেকে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর পুলিশ তার বড় ভাই নবাব আলীকেও থানায় নিয়ে যায়। নবাব আলী স্থানীয় বাকাইল মাদরাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি।

পরিবারের অবস্থান

নাসিরউদ্দিনের ছোট ভাই তৈয়বুর রহমান বলেন, “আমার ভাই রাজনীতি করেন, এটা ঠিক। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তিনি পুলিশের হাতে যাওয়ার পর ভয় পেয়ে পালিয়ে যান। আমরা বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নিই, এবং পরে তাকে আত্মসমর্পণ করাতে সাহায্য করি। এখন তিনি থানায় আছেন।”

পুলিশের বক্তব্য

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, “নাসিরউদ্দিন থানা থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন, আত্মসমর্পণ করেননি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ থেকে পুলিশ তাকে ধরে এনেছে।”

তিনি আরও বলেন, “তাকে বিস্ফোরক দ্রব্য কিংবা অন্য কোনো আইনে গ্রেফতার দেখানো হবে কি না, তা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমানে তার ভাই নবাব আলীও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাকেও গ্রেফতার দেখানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”

ফরিদপুরের থানা থ্রিলার: লীগ নেতা নাসির রাতে উধাও, সকালে হাজির পুলিশের মাইক্রোবাসে!

আপডেট সময় : ০৭:১০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ নেতা নাসিরউদ্দিনকে আটক করে থানা নিয়ে গেলে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে গোপালগঞ্জ থেকে আবার তাকে আটক করে থানায় আনা হয়। পরিবার বলছে আত্মসমর্পণ করলেও পুলিশ তা অস্বীকার করছে।

আটকের পর থানায় পালানো, শেষমেশ গ্রেফতারই নাসিরউদ্দিন

ফরিদপুরের পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসিরউদ্দিন (৫১) কে আটক করে থানায় নেওয়ার পর তিনি সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যান। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তার।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ৮টার দিকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে করে আবার থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তিনি গোপালগঞ্জে পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং সেখান থেকেই তাকে ধরে আনা হয়েছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, নাসিরউদ্দিন স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন।

আটক এবং পালানোর ঘটনা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাসিরউদ্দিন একজন ব্যবসায়ী। তার দোকান রয়েছে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাকাইল সড়কে। সোমবার (১২ মে) দুপুরে পুলিশ সেখান থেকেই তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু পরে তিনি কৌশলে থানা থেকে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর পুলিশ তার বড় ভাই নবাব আলীকেও থানায় নিয়ে যায়। নবাব আলী স্থানীয় বাকাইল মাদরাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি।

পরিবারের অবস্থান

নাসিরউদ্দিনের ছোট ভাই তৈয়বুর রহমান বলেন, “আমার ভাই রাজনীতি করেন, এটা ঠিক। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তিনি পুলিশের হাতে যাওয়ার পর ভয় পেয়ে পালিয়ে যান। আমরা বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নিই, এবং পরে তাকে আত্মসমর্পণ করাতে সাহায্য করি। এখন তিনি থানায় আছেন।”

পুলিশের বক্তব্য

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, “নাসিরউদ্দিন থানা থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন, আত্মসমর্পণ করেননি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ থেকে পুলিশ তাকে ধরে এনেছে।”

তিনি আরও বলেন, “তাকে বিস্ফোরক দ্রব্য কিংবা অন্য কোনো আইনে গ্রেফতার দেখানো হবে কি না, তা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমানে তার ভাই নবাব আলীও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাকেও গ্রেফতার দেখানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”