ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির উপদেষ্টা ফজলুর রহমানকে শোকজ

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 312

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান ও এর শহীদদের নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ মন্তব্য করায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিএনপি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আজ রোববার বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে এই নোটিশ পাঠানো হয়। এটিতে বলা হয়েছে, ফজলুর রহমানের বক্তব্য দলের আদর্শ ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

কেন এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা?

শোকজ নোটিশে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, ফজলুর রহমানের ক্রমাগত বিতর্কিত মন্তব্য জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং এটি দলের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, তার বক্তব্য জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত হেনেছে।

নোটিশ অনুসারে, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপির সাড়ে ৪০০-এর বেশি নেতাকর্মীসহ প্রায় দেড় হাজারের বেশি ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন এবং ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। নোটিশে ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে এই বীরোচিত ভূমিকাকে প্রতিনিয়ত অপমান ও অমর্যাদা করার অভিযোগ আনা হয়।

যে মন্তব্যে শুরু বিতর্ক

এর আগে এক অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ‘জামায়াত-শিবির’ বলে মন্তব্য করেছিলেন, যা দলের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, এ ধরনের উদ্ভট ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী বক্তব্যের কারণে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার যথাযথ কারণ দর্শিয়ে লিখিত জবাব নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

বিএনপির উপদেষ্টা ফজলুর রহমানকে শোকজ

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান ও এর শহীদদের নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ মন্তব্য করায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিএনপি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আজ রোববার বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে এই নোটিশ পাঠানো হয়। এটিতে বলা হয়েছে, ফজলুর রহমানের বক্তব্য দলের আদর্শ ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

কেন এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা?

শোকজ নোটিশে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, ফজলুর রহমানের ক্রমাগত বিতর্কিত মন্তব্য জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং এটি দলের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, তার বক্তব্য জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত হেনেছে।

নোটিশ অনুসারে, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপির সাড়ে ৪০০-এর বেশি নেতাকর্মীসহ প্রায় দেড় হাজারের বেশি ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন এবং ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। নোটিশে ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে এই বীরোচিত ভূমিকাকে প্রতিনিয়ত অপমান ও অমর্যাদা করার অভিযোগ আনা হয়।

যে মন্তব্যে শুরু বিতর্ক

এর আগে এক অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ‘জামায়াত-শিবির’ বলে মন্তব্য করেছিলেন, যা দলের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, এ ধরনের উদ্ভট ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী বক্তব্যের কারণে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার যথাযথ কারণ দর্শিয়ে লিখিত জবাব নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।