কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন পাইলট
- আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
- / 147
জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ‘যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক’ পদে স্থান পেয়েছেন নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার সন্তান, সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা এজমল হোসেন পাইলট। বুধবার (৩ জুন) আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে এই কমিটি অনুমোদন করা হয়। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানা গেছে।
নেত্রকোণায় আনন্দ ও উল্লাস:
কলমাকান্দা সদর ইউনিয়নের চত্রংপুর গ্রামের বাসিন্দা এজমল হোসেন পাইলট কেন্দ্রীয় যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পাওয়ায় নেত্রকোণা জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। স্থানীয় একাধিক প্রবীণ ও তরুণ নেতৃবৃন্দ জানান, পাইলট বিএনপির রাজপথের ও দুর্দিনের এক পরীক্ষিত সৈনিক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই মেধাবী ছাত্রনেতা রাজনীতিতে পা রাখার পর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সবসময় অগ্রভাগে ছিলেন।
তৃণমূল থেকে কেন্দ্রের শীর্ষ পদে:
দলীয় অঙ্গনে ও নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ‘পাইলট’ নামেই সমধিক পরিচিত। এমনকি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও তাঁকে অত্যন্ত স্নেহভরে ‘পাইলট’ বলে ডাকতেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে একাধিকবার মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্মম কারাবরণের মুখোমুখি হতে হয়েছে এই নেতাকে।
এর আগে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কার্যনির্বাহী কমিটির ১নং সহ-সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্ররাজনীতির সোনালী দিনগুলোতেই তিনি নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেন। তিনি ২০০৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল (তথ্য সংশোধন: উৎস অনুসারে শহীদ মহসিন হল) ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, ২০১২ সালে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৪ সালে ১ নম্বর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আগামী দিনের অঙ্গীকার:
নতুন এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় এজমল হোসেন পাইলট বলেন, “স্কুলজীবন থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের অভিভাবক তারেক রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে এসেছি। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগের এই মূল্যায়ন যেমন গৌরবের, তেমনই এক বিশাল দায়িত্বের।”
তিনি যুবদলের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁকে মনোনীত করায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি আগামী দিনে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যুবদলকে রাজপথে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
























