ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মসজিদ থেকে গলায় গামছা প্যাঁচানো লাশ উদ্ধার

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 188

বাউফলে মসজিদ থেকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় মো. আসাদুল রাঢ়ী (৫০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার কেশবপুর গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির মসজিদ থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। আসাদুল ওই গ্রামের মজিদ রাঢ়ীর ছেলে।

নিহতের পরিচয়

আসাদুল রাঢ়ী (৫০) উপজেলার কেশবপুর গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির মজিদ রাঢ়ীর ছেলে।

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা যাওয়ার কথা বলে আসাদুল রাঢ়ী তার ভাই বাবুল রাঢ়ীর কাছ থেকে এক হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। সারা দিনে তিনি আর বাড়ি ফিরেননি। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির সামনের মজসিদে ঢুকেন। তখন মসজিদের ইমাম জিজ্ঞাসা করলে তিনি (আসদুল)  জানান নামাজ পড়ে চলে যাব। কিছু সময় পর ইমাম বাড়িতে চলে যান। ভোর রাতে আসাদুলের চাচাতো ভাই  দুলাল রাঢ়ী ফজরের আজান দিতে মসজিদে আসলে তাকে (আসাদুল) মসজিদের ব্যবহৃত গামছা গলায় প্যাঁচানো মৃত্যু অবস্থায় বসা দেখে চিৎকার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

পরিবারের বক্তব্য

আসাদুলের ভাই বাবুল রাঢ়ী বলেন, ‘ভাইয়ের সঙ্গে স্ত্রী ও সন্তান থাকে না। তারা ঢাকাতে থাকে। প্রায় এক বছর ধরে আসাদুল বাড়িতে থাকছেন। গতকাল ঢাকা যাবেন বলে বাড়ি থেকে বের হয় সে। সকালে তার লাশ মসজিদে পাওয়া যায়। আত্মহত্যা করেছে নাকি অন্য কোনো ঘটনা আছে তা বলতে পারছি না।

পুলিশের বক্তব্য

বাউফল থানার ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। সঠিক কারণ জানার জন্য পুলিশের তদন্ত চলছে।

মসজিদ থেকে গলায় গামছা প্যাঁচানো লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৯:১৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাউফলে মসজিদ থেকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় মো. আসাদুল রাঢ়ী (৫০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার কেশবপুর গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির মসজিদ থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। আসাদুল ওই গ্রামের মজিদ রাঢ়ীর ছেলে।

নিহতের পরিচয়

আসাদুল রাঢ়ী (৫০) উপজেলার কেশবপুর গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির মজিদ রাঢ়ীর ছেলে।

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা যাওয়ার কথা বলে আসাদুল রাঢ়ী তার ভাই বাবুল রাঢ়ীর কাছ থেকে এক হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। সারা দিনে তিনি আর বাড়ি ফিরেননি। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির সামনের মজসিদে ঢুকেন। তখন মসজিদের ইমাম জিজ্ঞাসা করলে তিনি (আসদুল)  জানান নামাজ পড়ে চলে যাব। কিছু সময় পর ইমাম বাড়িতে চলে যান। ভোর রাতে আসাদুলের চাচাতো ভাই  দুলাল রাঢ়ী ফজরের আজান দিতে মসজিদে আসলে তাকে (আসাদুল) মসজিদের ব্যবহৃত গামছা গলায় প্যাঁচানো মৃত্যু অবস্থায় বসা দেখে চিৎকার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

পরিবারের বক্তব্য

আসাদুলের ভাই বাবুল রাঢ়ী বলেন, ‘ভাইয়ের সঙ্গে স্ত্রী ও সন্তান থাকে না। তারা ঢাকাতে থাকে। প্রায় এক বছর ধরে আসাদুল বাড়িতে থাকছেন। গতকাল ঢাকা যাবেন বলে বাড়ি থেকে বের হয় সে। সকালে তার লাশ মসজিদে পাওয়া যায়। আত্মহত্যা করেছে নাকি অন্য কোনো ঘটনা আছে তা বলতে পারছি না।

পুলিশের বক্তব্য

বাউফল থানার ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। সঠিক কারণ জানার জন্য পুলিশের তদন্ত চলছে।