দল আমাকে বহিষ্কার করেছে: এ কে আজাদ
- আপডেট সময় : ০১:৪৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
- / 1480
ব্যবসায়ী নেতা ও ফরিদপুর-৩ আসনের সাবেক স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য এ কে আজাদ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ‘আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টার’ অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি আর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন এবং এই দাবির কোনো প্রমাণ থাকলে তা উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) ফরিদপুরে তাঁর গাড়িবহরে বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা চালায়, যার কারণ হিসেবে তারা ‘আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা’-র অভিযোগ এনেছিল।
রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করলেন এ কে আজাদ
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কে আজাদ তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও বিএনপি’র অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলেন।
দলের সঙ্গে সম্পর্ক নেই: তিনি বলেন, “আমি আওয়ামী লীগ করি না, কাজেই তাদের পুনর্বাসনের প্রশ্নই ওঠে না।” তিনি আরও নিশ্চিত করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের সময়ই জেলা আওয়ামী লীগ তাঁকে বহিষ্কার করেছিল।
বহিষ্কারের কারণ: উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে ফরিদপুর-৩ আসনে নৌকার মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করা এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জনসভায় অনুপস্থিতি থাকার কারণে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ তাঁকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। এ কে আজাদ বলেন, “ওই ঘটনার পর থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই।”
সাবেক পদ: তবে মি. আজাদ স্বীকার করেন যে, বছর দেড়েক আগেও তিনি ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।
হামলার অভিযোগ ‘জনপ্রিয়তায় ভীত’ হয়ে
হামলার ঘটনাটিকে বিএনপি’র স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভিত্তিহীন দাবি বলে মনে করেন এ কে আজাদ।
ভিত্তিহীন অভিযোগ: ব্যবসায়ী নেতা এ কে আজাদ বলেন, “তাদের এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই। আসলে তারা আমার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে আমার ওপর হামলা করেছে।”
প্রমাণের চ্যালেঞ্জ: তিনি বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “তাদের কাছে যদি প্রমাণ থাকে, তাহলে তারা এটা প্রমাণ করুক যে, আমি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছি।”
রোববারের হামলার ঘটনায় তিনি স্থানীয় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান।
ভবিষ্যৎ নির্বাচনের ভাবনা
গত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করে ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এ কে আজাদ। এবারও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে তিনি বলেন:
সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়া: তিনি জানান, তিনি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। বর্তমানে তিনি মাঠে ঘুরে জনমত যাচাই করছেন এবং বর্তমান প্রশাসনের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব কি-না, তা পর্যবেক্ষণ করছেন। এগুলো দেখে পরবর্তীতে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।





















