ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইফতার মাহফিল নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে নিহত ১

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • / 319

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নে ইফতার মাহফিল আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় আহত বিএনপি কর্মী তরু মিয়া (৫০) মারা গেছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সূত্রপাত:

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাধবপুর গ্রামে নারী জামায়াত কর্মীদের একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে তরু মিয়া ও তার ছেলে শিপনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন।

প্রবাস থেকে ফিরেছিলেন এক মাস আগে:

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত তরু মিয়া মাত্র এক মাস আগে বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছিলেন। তার ভাগ্নে আবু কালাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংঘর্ষের পর তাকে প্রথমে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দুপুরে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও দাবি:

নিহত তরু মিয়াকে দলের সক্রিয় কর্মী দাবি করে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু এই ঘটনার জন্য জামায়াতকে দায়ী করেছেন। তিনি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, সন্ধ্যায় জেলা জামায়াতের আমির ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেতাকর্মীদের দেখতে যান এবং তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ইফতার মাহফিল নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে নিহত ১

আপডেট সময় : ১০:১৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নে ইফতার মাহফিল আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় আহত বিএনপি কর্মী তরু মিয়া (৫০) মারা গেছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সূত্রপাত:

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাধবপুর গ্রামে নারী জামায়াত কর্মীদের একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে তরু মিয়া ও তার ছেলে শিপনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন।

প্রবাস থেকে ফিরেছিলেন এক মাস আগে:

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত তরু মিয়া মাত্র এক মাস আগে বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছিলেন। তার ভাগ্নে আবু কালাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংঘর্ষের পর তাকে প্রথমে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দুপুরে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও দাবি:

নিহত তরু মিয়াকে দলের সক্রিয় কর্মী দাবি করে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু এই ঘটনার জন্য জামায়াতকে দায়ী করেছেন। তিনি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, সন্ধ্যায় জেলা জামায়াতের আমির ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেতাকর্মীদের দেখতে যান এবং তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।