ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে নাটক! আমি আওয়ামী লীগ করিনি- শ্রমিক লীগ সহ-সভাপতির পদত্যাগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 922

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মো. রফিকুল ইসলাম নামে এক স্থানীয় নেতা আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠন শ্রমিক লীগ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেম্বার গট্টি গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই ঘোষণা দেন।

রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি কোনোদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং তাঁকে কে বা কারা উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান দিয়েছে, তা তিনি জানেন না।

পদত্যাগের ঘোষণা ও রাজনৈতিক পরিচয়

পদত্যাগী এই নেতা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং উপজেলা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি হিসেবে কমিটিতে ছিলেন।

আসল পরিচয়: সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, “আমি দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতি করেছি। উপজেলা বিএনপির যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছি।”

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: তিনি প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের নেতৃত্বে রাজনীতি করেছেন এবং ভবিষ্যতেও বিএনপির কর্মী হিসেবে থাকার ঘোষণা দেন।

পদত্যাগ: তিনি বলেন, “আমি আজ থেকে জাতীয় শ্রমিক লীগ সালথা উপজেলা শাখার সহসভাপতি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”

আওয়ামী লীগের ওপর অভিযোগ

রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তিনি শুধু আওয়ামী লীগ করেননি তা নয়, বরং উল্টো দলটির চাপের মুখে বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন এবং মিথ্যা মামলায় জেলও খেটেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম যখন এই ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তখন স্থানীয় বিএনপি কর্মীদের মধ্যে ইউনুছ শেখ, মো. ইছাক মাতুব্বর, ইলিয়াস মাতুব্বর, বকুল মাতুব্বর, গোপাল চন্দ্র মালো, বেলায়েত খাঁ ও সেলিম তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে নাটক! আমি আওয়ামী লীগ করিনি- শ্রমিক লীগ সহ-সভাপতির পদত্যাগ

আপডেট সময় : ০৯:১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মো. রফিকুল ইসলাম নামে এক স্থানীয় নেতা আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠন শ্রমিক লীগ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেম্বার গট্টি গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই ঘোষণা দেন।

রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি কোনোদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং তাঁকে কে বা কারা উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান দিয়েছে, তা তিনি জানেন না।

পদত্যাগের ঘোষণা ও রাজনৈতিক পরিচয়

পদত্যাগী এই নেতা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং উপজেলা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি হিসেবে কমিটিতে ছিলেন।

আসল পরিচয়: সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, “আমি দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতি করেছি। উপজেলা বিএনপির যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছি।”

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: তিনি প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের নেতৃত্বে রাজনীতি করেছেন এবং ভবিষ্যতেও বিএনপির কর্মী হিসেবে থাকার ঘোষণা দেন।

পদত্যাগ: তিনি বলেন, “আমি আজ থেকে জাতীয় শ্রমিক লীগ সালথা উপজেলা শাখার সহসভাপতি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”

আওয়ামী লীগের ওপর অভিযোগ

রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তিনি শুধু আওয়ামী লীগ করেননি তা নয়, বরং উল্টো দলটির চাপের মুখে বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন এবং মিথ্যা মামলায় জেলও খেটেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম যখন এই ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তখন স্থানীয় বিএনপি কর্মীদের মধ্যে ইউনুছ শেখ, মো. ইছাক মাতুব্বর, ইলিয়াস মাতুব্বর, বকুল মাতুব্বর, গোপাল চন্দ্র মালো, বেলায়েত খাঁ ও সেলিম তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।