ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ২৮ প্রার্থীর ১৯ জনই ‘নিস্ব’: বড় জয়ের মুখে সবার জামানত জব্দ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৮:২০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 349

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর জেলার চারটি নির্বাচনী এলাকায় অংশ নেওয়া ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। মোট প্রার্থীর প্রায় ৬৮ শতাংশ প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানতের টাকা নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বড় দলগুলোর প্রার্থীর কাছে নগণ্য ভোট পেয়েছেন ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের ১২.৫ শতাংশের (এক-অষ্টমাংশ) কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

ফরিদপুর-১: জামায়াতের বড় জয়, বাকিরা ধরাশায়ী

এই আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১০ হাজার ৫৪০ জন। নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা (দাঁড়িপাল্লা) ১,৫৪,১৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার নাসিরুল ইসলাম (ধানের শীষ) পান ১,২৬,৪৭৬ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি ৬ জন প্রার্থীই তাদের জামানত হারিয়েছেন।

ফরিদপুর-২: শামা ওবায়েদের জয়, জামানত হারালেন ৪ জন

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু ১,২১,৬৯৪ ভোট পেয়ে এই আসনে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. আকরাম আলী পান ৮৯,৩০৫ ভোট। এ আসনে বাকি ৪ জন প্রার্থীর জামানত জব্দ হয়েছে।

ফরিদপুর-৩: সদর আসনে বিএনপির জয়, জামানত খোয়ালেন ৪ জন

ফরিদপুর সদর আসনে ১,৪৮,৫৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ। জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুত তাওয়াব ১,২৪,১১৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও বাকি ৪ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।

ফরিদপুর-৪: ত্রিমুখী লড়াইয়ের পর ৫ প্রার্থীর জামানত জব্দ

এই আসনে বিএনপির মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল ১,২৭,৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে পারলেও বাকি ৫ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচনী খণ্ডচিত্র

ফরিদপুরের ৪টি আসনের ফলাফলের ভিত্তিতে বিএনপি তিনটি এবং জামায়াতে ইসলামী একটি আসনে জয়লাভ করেছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মোল্যা নিশ্চিত করেছেন যে, বিধি অনুযায়ী যারা ন্যূনতম ভোট পাননি, তাদের জামানতের অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।

ফরিদপুরে ২৮ প্রার্থীর ১৯ জনই ‘নিস্ব’: বড় জয়ের মুখে সবার জামানত জব্দ

আপডেট সময় : ০৮:২০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর জেলার চারটি নির্বাচনী এলাকায় অংশ নেওয়া ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। মোট প্রার্থীর প্রায় ৬৮ শতাংশ প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানতের টাকা নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বড় দলগুলোর প্রার্থীর কাছে নগণ্য ভোট পেয়েছেন ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের ১২.৫ শতাংশের (এক-অষ্টমাংশ) কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

ফরিদপুর-১: জামায়াতের বড় জয়, বাকিরা ধরাশায়ী

এই আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১০ হাজার ৫৪০ জন। নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা (দাঁড়িপাল্লা) ১,৫৪,১৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার নাসিরুল ইসলাম (ধানের শীষ) পান ১,২৬,৪৭৬ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি ৬ জন প্রার্থীই তাদের জামানত হারিয়েছেন।

ফরিদপুর-২: শামা ওবায়েদের জয়, জামানত হারালেন ৪ জন

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু ১,২১,৬৯৪ ভোট পেয়ে এই আসনে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. আকরাম আলী পান ৮৯,৩০৫ ভোট। এ আসনে বাকি ৪ জন প্রার্থীর জামানত জব্দ হয়েছে।

ফরিদপুর-৩: সদর আসনে বিএনপির জয়, জামানত খোয়ালেন ৪ জন

ফরিদপুর সদর আসনে ১,৪৮,৫৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ। জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুত তাওয়াব ১,২৪,১১৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও বাকি ৪ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।

ফরিদপুর-৪: ত্রিমুখী লড়াইয়ের পর ৫ প্রার্থীর জামানত জব্দ

এই আসনে বিএনপির মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল ১,২৭,৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে পারলেও বাকি ৫ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচনী খণ্ডচিত্র

ফরিদপুরের ৪টি আসনের ফলাফলের ভিত্তিতে বিএনপি তিনটি এবং জামায়াতে ইসলামী একটি আসনে জয়লাভ করেছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মোল্যা নিশ্চিত করেছেন যে, বিধি অনুযায়ী যারা ন্যূনতম ভোট পাননি, তাদের জামানতের অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।