ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা, সংঘর্ষে আহত অন্তত ৮

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 814

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগের এক নেতার নেতৃত্বে হওয়া হামলায় উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম (সরফেজ) এবং বোরহান মিয়া গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল।

এরই জের ধরে যুবলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রায় ২০-৩০ জনের একটি দল লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষ বোরহান মিয়ার গ্রুপের সদস্য আলমগীর মিয়া, আইয়ুব মিয়া, মান্নু খান্দার, ইলিয়াস মিয়া, ওহিদুর মিয়া ও আওলাদ মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়।

আহতদের অবস্থা

হামলার সময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এতে বাধা দিতে গেলে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও মারধর করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

আহতদের মধ্যে আলমগীর মিয়া (৫৫) এবং তার ছেলে মো. হামিম মিয়ার (২৭) অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জালাল আলম বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা, সংঘর্ষে আহত অন্তত ৮

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগের এক নেতার নেতৃত্বে হওয়া হামলায় উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম (সরফেজ) এবং বোরহান মিয়া গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল।

এরই জের ধরে যুবলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রায় ২০-৩০ জনের একটি দল লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষ বোরহান মিয়ার গ্রুপের সদস্য আলমগীর মিয়া, আইয়ুব মিয়া, মান্নু খান্দার, ইলিয়াস মিয়া, ওহিদুর মিয়া ও আওলাদ মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়।

আহতদের অবস্থা

হামলার সময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এতে বাধা দিতে গেলে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও মারধর করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

আহতদের মধ্যে আলমগীর মিয়া (৫৫) এবং তার ছেলে মো. হামিম মিয়ার (২৭) অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জালাল আলম বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”