ফরিদপুর মহানগর কৃষক দলের সহ-ক্রীড়া সম্পাদক ফিরোজ শেখকে (৩২) হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ফরিদপুর মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদ শেখের ওপর এই হামলা চালানো হয়।
বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে কোতয়ালী থানা পুলিশের একটি দল শহরের ধুলদি এলাকা থেকে ফিরোজ শেখকে গ্রেপ্তার করে। তিনি সদর উপজেলার ধুলদী গ্রামের সরোয়ার শেখের ছেলে।
ফেসবুক পোস্ট থেকে হামলার সূত্রপাত
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই হামলার ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে:
স্ট্যাটাস: গত ৪ অক্টোবর ফরিদ মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফরিদ শেখ তাঁর ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি একই দলের নেতা ফিরোজ শেখের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
প্রশ্নের কারণ: পোস্টে ফরিদ শেখ উল্লেখ করেন, ফিরোজ শেখের বাবা আওয়ামী লীগের নেতা এবং ফিরোজ শেখকে এলাকায় কোনো আন্দোলন সংগ্রামে দেখা যায় না, তাহলে তিনি কীভাবে মহানগর কৃষক দলের প্রচার সম্পাদক হন?
হামলার ঘটনা: এই স্ট্যাটাস দেওয়ার দুদিন পর, অর্থাৎ সোমবার সন্ধ্যায় ধুলদী বাজারে ফরিদ শেখের ওপর লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। হামলায় ফরিদের মাথা ফেটে যায় এবং তাঁকে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর মাথায় ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়।
পুলিশের পদক্ষেপ
ফরিদ শেখের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁর ভাই শহিন শেখ বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
কোতোয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাহেব আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার প্রধান আসামি ফিরোজ শেখকে গ্রেপ্তার করে বুধবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।