ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুর PWD-এর জিয়াউর ও স্বজনদের ২৪ হিসাব জব্দ, লোমহর্ষ দুর্নীতির তথ্য দুদকের হাতে

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 763

ফরিদপুর জেলার গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, তার স্ত্রী নাইচ পারভীন, দুই ভাই এবং ভগ্নিপতির নামে থাকা মোট ২৪টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এসব হিসাবে রয়েছে মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬১ টাকা।

দুদকের আবেদনে আদালতের নির্দেশনা

ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন। আবেদনের পক্ষে ছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার।

কার কোন হিসাবে কত?

জব্দ হওয়া ২৪টি ব্যাংক হিসাবের মধ্যে ১৯টি রয়েছে মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানের নামে, ২টি তার স্ত্রী নাইচ পারভীনের নামে। তার দুই ভাইয়ের—ফিরোজ মোল্লা ও ওবায়দুর রহমান—নামে একটি করে হিসাব এবং ভগ্নিপতি আয়ুব আলী খানের নামে রয়েছে একটি হিসাব।

মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ ও অনুসন্ধান

দুদকের আবেদনে বলা হয়, মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ আয় করে তা নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে রেখেছেন। প্রায় ৪.৮৬ কোটি টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট) রয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকে। এছাড়া ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা তার ব্যক্তিগত একাউন্টে এসেছে, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় পড়ে।

টাকা সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা

অনুসন্ধান চলাকালীন প্রাপ্ত তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার স্বজনরা নিজেদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে পারেন। ফলে তদন্তে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় আদালত জরুরি ভিত্তিতে এসব একাউন্ট জব্দ করার অনুমতি দিয়েছেন।

ফরিদপুর PWD-এর জিয়াউর ও স্বজনদের ২৪ হিসাব জব্দ, লোমহর্ষ দুর্নীতির তথ্য দুদকের হাতে

আপডেট সময় : ০৯:৩২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

ফরিদপুর জেলার গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, তার স্ত্রী নাইচ পারভীন, দুই ভাই এবং ভগ্নিপতির নামে থাকা মোট ২৪টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এসব হিসাবে রয়েছে মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬১ টাকা।

দুদকের আবেদনে আদালতের নির্দেশনা

ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন। আবেদনের পক্ষে ছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার।

কার কোন হিসাবে কত?

জব্দ হওয়া ২৪টি ব্যাংক হিসাবের মধ্যে ১৯টি রয়েছে মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানের নামে, ২টি তার স্ত্রী নাইচ পারভীনের নামে। তার দুই ভাইয়ের—ফিরোজ মোল্লা ও ওবায়দুর রহমান—নামে একটি করে হিসাব এবং ভগ্নিপতি আয়ুব আলী খানের নামে রয়েছে একটি হিসাব।

মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ ও অনুসন্ধান

দুদকের আবেদনে বলা হয়, মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ আয় করে তা নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে রেখেছেন। প্রায় ৪.৮৬ কোটি টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট) রয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকে। এছাড়া ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা তার ব্যক্তিগত একাউন্টে এসেছে, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় পড়ে।

টাকা সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা

অনুসন্ধান চলাকালীন প্রাপ্ত তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার স্বজনরা নিজেদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে পারেন। ফলে তদন্তে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় আদালত জরুরি ভিত্তিতে এসব একাউন্ট জব্দ করার অনুমতি দিয়েছেন।