ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঙ্কালকেই শামীমের লাশ দাবি: যুবদল নেতার জানাজা

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 268

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় পুলিশের নিশ্চিতকরণের আগেই নিখোঁজ যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম শামীমের নামে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মনকান্দার বিরান্দরি বিল থেকে একটি গলিত কঙ্কাল উদ্ধার হওয়ার পরই পরিবারের পক্ষ থেকে সেটিকে শামীমের লাশ বলে দাবি করা হয়।

সোমবার বেলা ১১টায় মনকান্দা গ্রামের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে এই জানাজা সম্পন্ন হয়।

কঙ্কাল উদ্ধারের পরই হত্যার অভিযোগ

নিহত শামীম মনকান্দা গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে এবং গণ্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবদল নেতা ছিলেন।

পরিবারের দাবি: উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি শামীমেরই এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবার ও স্থানীয়রা দাবি করেন।

রাজনৈতিক উপস্থিতি: জানাজায় নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী ও জেলা বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন ভূঞা দুলালসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এটি পুরো ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

পুলিশ: নিশ্চিত হতে দেড় মাস লাগবে

কঙ্কালটি নিখোঁজ শামীমের কিনা—এ বিষয়ে পুলিশ এখনও নিশ্চিত নয়।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, জানাজার বিষয়টি তাঁরা অবগত। তবে পরিচয় নিশ্চিত হতে ডিএনএ টেস্টের জন্য স্যাম্পল পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “সম্পূর্ণ প্রসেসিংয়ের জন্য এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতে পারে। টেস্টের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি শামীমের লাশ কিনা।”

নিখোঁজ হওয়ার ইতিহাস ও মামলা

যুবদল নেতা শামীম গত ২ জুলাই দিবাগত রাতে গণ্ডা ইউনিয়নের পাহাড়পুর এলাকা থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়েছিলেন।

মামলা: পরে শামীমের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে প্রথমে জিডি এবং পরবর্তীতে আদালতের আদেশে থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় ২০ জনের নামোল্লেখসহ আরও ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

কঙ্কালকেই শামীমের লাশ দাবি: যুবদল নেতার জানাজা

আপডেট সময় : ০৮:২৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় পুলিশের নিশ্চিতকরণের আগেই নিখোঁজ যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম শামীমের নামে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মনকান্দার বিরান্দরি বিল থেকে একটি গলিত কঙ্কাল উদ্ধার হওয়ার পরই পরিবারের পক্ষ থেকে সেটিকে শামীমের লাশ বলে দাবি করা হয়।

সোমবার বেলা ১১টায় মনকান্দা গ্রামের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে এই জানাজা সম্পন্ন হয়।

কঙ্কাল উদ্ধারের পরই হত্যার অভিযোগ

নিহত শামীম মনকান্দা গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে এবং গণ্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবদল নেতা ছিলেন।

পরিবারের দাবি: উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি শামীমেরই এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবার ও স্থানীয়রা দাবি করেন।

রাজনৈতিক উপস্থিতি: জানাজায় নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী ও জেলা বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন ভূঞা দুলালসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এটি পুরো ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

পুলিশ: নিশ্চিত হতে দেড় মাস লাগবে

কঙ্কালটি নিখোঁজ শামীমের কিনা—এ বিষয়ে পুলিশ এখনও নিশ্চিত নয়।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, জানাজার বিষয়টি তাঁরা অবগত। তবে পরিচয় নিশ্চিত হতে ডিএনএ টেস্টের জন্য স্যাম্পল পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “সম্পূর্ণ প্রসেসিংয়ের জন্য এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতে পারে। টেস্টের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি শামীমের লাশ কিনা।”

নিখোঁজ হওয়ার ইতিহাস ও মামলা

যুবদল নেতা শামীম গত ২ জুলাই দিবাগত রাতে গণ্ডা ইউনিয়নের পাহাড়পুর এলাকা থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়েছিলেন।

মামলা: পরে শামীমের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে প্রথমে জিডি এবং পরবর্তীতে আদালতের আদেশে থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় ২০ জনের নামোল্লেখসহ আরও ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।