ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণমাধ্যমে হাসিনার বক্তব্য প্রকাশ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • / 274

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণমাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অডিও ও বক্তব্য প্রচারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই ধরনের প্রচার ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯’-এর গুরুতর লঙ্ঘন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকার জানিয়েছে, ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত ও গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন পলাতক আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার দেশের আইন ও আদালতের নির্দেশের পরিপন্থী।

কেন এই সতর্কতা?

বিবৃতিতে বলা হয়, গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার ঘৃণা ছড়ানো বক্তব্য সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কিছু গণমাধ্যম আদালতের সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার ক্ষমতাচ্যুত এই নেত্রীর একটি উস্কানিমূলক ভাষণ প্রচার করেছে।

সরকার সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি তৈরির ঝুঁকি নেওয়া যায় না। শেখ হাসিনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শত শত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত এবং বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন।

আইনি হুঁশিয়ারি ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন যদি তাদের নেতাদের কার্যকলাপ বা বক্তব্য প্রচার বা সম্প্রচার করে, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা এবং গণতান্ত্রিক অখণ্ডতার ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার গণমাধ্যমকে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ক্ষেত্রে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের এই ধরনের বক্তব্য দেশে অস্থিতিশীলতা ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি বলে মন্তব্য করা হয়েছে। যেকোনো সংবাদমাধ্যম এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।

গণমাধ্যমে হাসিনার বক্তব্য প্রকাশ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণমাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অডিও ও বক্তব্য প্রচারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই ধরনের প্রচার ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯’-এর গুরুতর লঙ্ঘন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকার জানিয়েছে, ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত ও গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন পলাতক আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার দেশের আইন ও আদালতের নির্দেশের পরিপন্থী।

কেন এই সতর্কতা?

বিবৃতিতে বলা হয়, গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার ঘৃণা ছড়ানো বক্তব্য সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কিছু গণমাধ্যম আদালতের সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার ক্ষমতাচ্যুত এই নেত্রীর একটি উস্কানিমূলক ভাষণ প্রচার করেছে।

সরকার সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি তৈরির ঝুঁকি নেওয়া যায় না। শেখ হাসিনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শত শত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত এবং বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন।

আইনি হুঁশিয়ারি ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন যদি তাদের নেতাদের কার্যকলাপ বা বক্তব্য প্রচার বা সম্প্রচার করে, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা এবং গণতান্ত্রিক অখণ্ডতার ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার গণমাধ্যমকে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ক্ষেত্রে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের এই ধরনের বক্তব্য দেশে অস্থিতিশীলতা ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি বলে মন্তব্য করা হয়েছে। যেকোনো সংবাদমাধ্যম এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।