গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ১২:৪৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫
- / 150

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধের দাবিতে বিশ্বজুড়ে চলমান আন্দোলনের ঢেউ এসে লেগেছে বাংলাদেশেও। গতকাল সোমবার ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে দেশের কোনো পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি। অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখে। সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ বিক্ষোভ ও সমাবেশে উত্তাল হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ ছিল চোখে পড়ার মতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় যেমন প্রতিবাদমুখর ছিল, তেমনি নর্থ-সাউথ, ব্র্যাক, এআইইউবি, ইস্ট ওয়েস্ট, প্রেসিডেন্সিসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রাস্তায় সরব ছিলেন। রাজপথে প্রতিবাদে ফেটে পড়েন মেডিকেল, মাদরাসা, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরাও। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বায়তুল মোকাররম, জাতীয় প্রেসক্লাব, উত্তরা, আফতাবনগর, গুলশান, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, শাহবাগ, সায়েন্সল্যাবসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এবং সারাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-তরুণ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিক্ষোভ করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনও ইসরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় দিনভর বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। সকাল থেকেই রাজু ভাস্কর্যের সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে সাধারণ জনগণ বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন। এ সময় তারা ‘ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন’, ‘সাবিলুনা সাবিলুনা, আল-জিহাদ আল-জিহাদ’, ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’, ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, ইসরাইল নো মোর’, ‘আমরা সবাই রাসূল সেনা, ভয় করিনা বুলেট বোমা’, ‘ইসরাইলি পণ্য বয়কট করো’, ‘ইসরাইল নয়, গাজা চাই’—এমন নানা স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন চারপাশ। ‘ওয়ার্ল্ড স্টপ ফর গাজা’ কর্মসূচির সমর্থনে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কুশপুত্তলিকা দাহ করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। এর আগে তারা জুতা নিক্ষেপের মাধ্যমেও প্রতিবাদ জানান। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী সালমান খান বলেন, “আজাদী মানবজাতির মৌলিক আকাঙ্ক্ষা। ইনশাআল্লাহ, একদিন ফিলিস্তিনও স্বাধীনতা লাভ করবে। শহীদদের পাশাপাশি ইতিহাস তাদেরও মনে রাখবে, যারা এই সংকটময় সময়ে নীরব ছিল।” আরেক আন্দোলনকারী ওমর ফারুক বলেন, “গত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে ইসরাইলি দখলদার বাহিনী ফিলিস্তিনিদের ওপর যে বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে, তা মানবসভ্যতার সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এবারের গণহত্যা যেন কফিনের শেষ পেরেক। এখনই সময় মুসলিম বিশ্বকে একযোগে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর।” বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান বলেন, “সারাবিশ্ব আজ দেখছে তারা (ইসরাইল) একটি অভিশপ্ত জাতি, যারা নৃশংসতার সর্বোচ্চ সীমাও অতিক্রম করেছে। সময় এসেছে আজ পুরো মুসলিম বিশ্বকে এক হওয়ার এবং সমস্ত বিষ দাঁত গুঁড়িয়ে দেওয়ার। সেই দিন আর বেশি দূরে না, যেদিন আল্লাহর সব বাণী আমাদের সামনে দৃশ্যমান হবে।” বিকেলে ‘মার্চ ফর প্যালেস্টাইন: সলিডারিটি ফ্রম বাংলাদেশ’ ব্যানারে একটি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যা ভিসি চত্বর থেকে শুরু হয়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি জানিয়ে গত রোববার সকল ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করে। এছাড়াও সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রমও বন্ধ রাখা হয়।
বুয়েটে ২ ঘণ্টা শিক্ষা ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এছাড়া আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। বুয়েটের ভিসি প্রফেসর ড. আবু রোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান বলেন, “একটি সম্পূর্ণ জনগোষ্ঠীকে বোমাবর্ষণ, অনাহারে রাখা ও নিশ্চিহ্ন করার সময় আমরা নীরব থাকতে পারি না। এর প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।” মানববন্ধনে শতাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে বেশ কয়েকজন শিক্ষকও অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা ‘ফ্রম দা রিভার টু দা সি প্যালেস্টাইন উইল বি ফ্রি’, ‘ইস্ট টু ওয়েস্ট নো ফ্লো টু জায়োনিস্ট’, ‘ফিলিস্তিন মুক্তি পাক, ইসরাইল নিপাত যাক’; ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, আল আকসা জিন্দাবাদ’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। বুয়েট শিক্ষার্থীরা বলেন, “গাজায় নিরীহ শিশু, নারী এবং সাধারণ মানুষের ওপর যে নৃশংসতা চালানো হচ্ছে, তা শুধু একটি রাজনৈতিক সংকট নয়, এটি একটি চরম মানবিক ও নৈতিক সংকট। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, মানবিক করিডোরে হামলা এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো ধ্বংসের মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সভ্যতার চরম অবক্ষয়। আমরা ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান অমানবিক সহিংসতা, নির্বিচারে হত্যা, বোমাবর্ষণ, রাসায়নিক হামলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।” তারা যুক্তরাষ্ট্র ও আরব দেশগুলোর নিষ্ক্রিয়তার নিন্দা জানান এবং ইসরাইলের গণহত্যা ও এর সমর্থকদেরও সমালোচনা করেন। বুয়েট শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান এবং আন্তর্জাতিক মহলকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজসহ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে নিজ নিজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। খণ্ড খণ্ড মিছিলে তারা ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানায় এবং প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফিলিস্তিনের পতাকায় ছেয়ে যায়।
বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে মুসল্লিরা গাজায় ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ করেন এবং ‘ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ’, ‘ফ্রি ফ্রি ফিলিস্তিন’ স্লোগানে মসজিদের উত্তর এলাকা মুখরিত করে তোলেন। বাদ জোহর জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ ‘মজলুম গাজাবাসীর ডাকা বিশ্বব্যাপী হরতালে’র সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করে। মুসল্লিরা ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দিয়ে মসজিদ থেকে বেরিয়ে উত্তর পাদদেশে সমবেত হন এবং ফিলিস্তিনি পতাকা উত্তোলন করে স্লোগানে স্লোগানে প্রাঙ্গণ উত্তাল করে তোলেন।
মানিক মিয়া এভিনিউতে ইসরাইলের হামলার প্রতিবাদ ও গাজাবাসীর ডাকা হরতালের সমর্থনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। সংসদ ভবনের সামনে হাজারো মানুষ বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে সমবেত হন এবং ঘণ্টাব্যাপী সমাবেশ শেষে একটি প্রতিবাদী মিছিল বের করেন। বিক্ষোভকারীরা ‘ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াতে মুসলমান নয়, হতে হবে মানুষ’, ‘আমার ভাই মরলো কেনও জবাব চাই’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। প্রকৌশলী সামছুজ্জামান বাবুল বলেন, “এটি আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। আমরা আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এই যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানাতে চাই।”
বাড্ডা-আফতাবনগরে বিভিন্ন কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধন ও সমাবেশ করে ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানান। তারা ‘আমার ভাই শহীদ কেন, জাতিসংঘ জবাব চাই’, ‘ইসরাইলের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ওআইসিভুক্ত ৫৭টি মুসলিম রাষ্ট্রকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। বক্তারা ইসরাইলকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেন এবং নেতানিয়াহু প্রশাসনের বিচার দাবি করেন। একই সময়ে মেরুল বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এবং বসুন্ধরা এলাকায় বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন এবং ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধের দাবি জানান।
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কাছেও ফিলিস্তিনের সমর্থনে একাধিক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দূতাবাসের উল্টো দিকের সড়কে এবং গুলশান এলাকায় বিক্ষোভ করেন এবং ‘ফ্রি ফ্রি ফিলিস্তিন’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
উত্তরায় ছাত্র-জনতা ও আলেম-ওলামাগণ ইসরাইলের গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা গাজায় ইসরাইলের গণহত্যাকে পৃথিবীর সমস্ত নৃশংসতার সীমা অতিক্রমকারী হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আমেরিকার সমর্থন ও সহযোগিতার নিন্দা জানান। তারা সারা বিশ্বের মুসলমানসহ আমেরিকার জনগণকে রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানান।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ‘দ্য ওয়ার্ল্ড স্টপস ফর গাজা’ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনে হামলা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করেন এবং ইসরায়েলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানান।
সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ‘দ্য ওয়ার্ল্ড স্টপস ফর গাজা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’, ‘স্টপ কিলিং ইন গাজা’ সহ নানা স্লোগান দেন।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর পল্টন জোনের সংহতি সমাবেশে মাওলানা মামুনুল হক ইসরাইলের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াইকে ফরজ আখ্যায়িত করেন এবং গাজায় গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানান।
বিশ্বব্যাপী মজলুম গাজাবাসীদের আহুত হরতালের সমর্থনে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উদ্যোগে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবিতে জুতা নিক্ষেপ ও আগুন ধরিয়ে প্রতিবাদ জানান।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম ইসরাইলের জুলুমের কারণে ধ্বংস অনিবার্য বলে মন্তব্য করেন এবং বিশ্ব মুসলমানদেরকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব গাজায় ইসরাইলের গণহত্যার নিন্দা জানান এবং জাতিসংঘকে ফিলিস্তিনে আন্তর্জাতিক শান্তি বাহিনী মোতায়েনের আহ্বান জানান। জামায়াতে ইসলামী দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে এবং গাজায় হামলা বন্ধের হুঁশিয়ারি দেয়। এনসিপি ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধের দাবিতে শাহবাগে বিক্ষোভ করে। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ টঙ্গী পশ্চিম জোনও ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে। সউদী নদওয়াতুল উলামা আল আলামিয়ার চেয়ারম্যান মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী ইসরাইলের নৃশংসতার নিন্দা জানান এবং মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতারা ইসরাইলের নিন্দা জানান এবং ফিলিস্তিনের মুসলমানদের পক্ষে লড়াইয়ের আহ্বান জানান। বৃহত্তর মিরপুর ইমাম-উলামাদের উদ্যোগে ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। কওমি মাদরাসা শিক্ষক সমিতি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে মানববন্ধন করে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানায়। ইসলামী ঐক্যজোট ঢাকা মহানগর লালবাগে বিক্ষোভ মিছিল করে। মাস্তুল ফাউন্ডেশন গাজার বাসিন্দাদের জন্য খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করছে।
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























