জামায়াতকে হাতে রেখে বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় এনসিপি
- আপডেট সময় : ০১:১৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 303
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আসা তরুণদের রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (এনসিপি)। আগামী সংসদে জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে বড় দলগুলোর সঙ্গে আসন সমঝোতার তোড়জোড় চালাচ্ছে দলটি। নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী—উভয় পক্ষই এনসিপিকে নিজেদের বলয়ে টানতে চাইছে এবং এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
সমঝোতার কৌশলী হিসাব:
এনসিপি নেতারা চাইছেন জুলাই বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখতে সংসদে শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করা। জানা গেছে, জামায়াতকে হাতে রেখেই বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার অগ্রাধিকার দিচ্ছে দলটি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর দলটির সঙ্গে এই আলোচনা চূড়ান্ত রূপ পেতে পারে। বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা কোনো কারণে সফল না হলে, জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার বিকল্প পথও খোলা রেখেছে এনসিপি।
নিরাপত্তা ঝুঁকি ও রাজনৈতিক কৌশল:
দলটির শীর্ষ নেতাদের মতে, জুলাই শক্তির ওপর অব্যাহত হুমকি এবং পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিপ্লবীদের সংসদে থাকা এখন সময়ের দাবি। এনসিপির রাজনৈতিক লিয়াজোঁ কমিটির প্রধান আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, বিএনপি বা জামায়াতের সঙ্গে জোট বা আসন সমঝোতার ব্যাপারে অফিসিয়াল-আনঅফিসিয়াল আলোচনা চলছে। ২০ জানুয়ারির তফসিল অনুযায়ী সময়ের মধ্যেই তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
জোটের বিস্তার ও প্রতীক:
গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের অধীনে এনসিপি ইতোমধ্যে ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এবি পার্টি ১০৯ এবং রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনসহ জোটের অন্য শরিকরা আরও অর্ধশতাধিক আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করছে। শেষ পর্যন্ত আসন সমঝোতা না হলে নিবন্ধিত এনসিপির ‘শাপলা কলি’ বা এবি পার্টির ‘ঈগল’ প্রতীকে ৩০০ আসনেই জোটবদ্ধ লড়াই করার প্রস্তুতি রয়েছে তাদের।

























